Tuesday, June 12, 2012

 ফোর-জি (4G-Fourth Generation)

মোবাইল টেলিকমিউনিকেশনের সর্বাধুনিক সংস্করন ফোর-জি (4G-Fourth Generation)। এটি সম্পূর্নরূপে ইন্টারনেট প্রটোকলভিত্তিক একটি টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেম যা গ্রাহককে Ultra-broadband mobile internet access  প্রদান করে থাকে। ফোর-জি প্রযুক্তি হচ্ছে থ্রিজি মোবাইলের আধুনিকতর সংস্করন। এই প্রযুক্তি এখনও গ্রাহক পর্যায়ে সহজলভ্য হয়ে উঠেনি। ফোরজি মোবাইলের পুরোপুরি বাণিজ্যিক উৎপাদন ও বিপনন শুরু হলে তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

ফোর-জি মোবাইলের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
২০০৮ সালের মার্চ মাসে International Telecommunications Union Radio communication sector (ITU-R), ফোর-জি প্রযুক্তির ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য বাধ্যতামূলক হিসাবে নির্ধারণ করে দেয় যা International Mobile Telecommunications Advanced (IMT-Advanced) specification নামে পরিচিত। ফোর-জি মোবাইলের অপরিহার্য বৈশিষ্টগুলো নিম্নরুপ:
ডাটা ট্রান্সফারের গতি High mobility station (যেমন, ট্রেন, বাস ইত্যাদি) এবং Low mobility station (যেমন, পথচারী, indoor ইত্যাদি) এর ক্ষেত্রে যথাক্রমে ন্যূনতম ১০০ মেগাবাইট/সেকেন্ড এবং ১ গিগাবাইট/সেকেন্ড হতে হবে।
এই প্রযুক্তির ডাটা ট্রান্সফার পুরোপুরি ইন্টারনেট প্রটোকল প্যাকেট সুইচ নেটওয়ার্ক ভিত্তিক হতে হবে।
একই স্পেকট্রাম থেকে সর্বাধিক সংখ্যক গ্রাহককে সেবা দিতে হবে।
পরিমাপ যোগ্য Clannel Band width ন্যূনতম ৫-২০ মেগাহার্জ এবং ক্ষেত্রবিশেষ ৪০ মেগাহার্জ পর্যন্ত হবে।
Downlink এর ক্ষেত্রে link spectral Efficiency 15bit/s/Hz এবং Uplink এর ক্ষেত্রে 6.75 bit/s/Hz হতে হবে।
এই সবগুলো বৈশিষ্ট্যই শুধুমাত্র LTE Advanced (Standardized by 3GPP) এবং 802.16m (standardized by the IEEE) এই দুটি প্রযুক্তির মাধ্যমে কাজ করবে।

বর্তমানে যেসব ষ্ট্যান্ডার্ড কাজ করছে:
বর্তমানে দুটি ফোর-জি ষ্ট্যান্ডার্ড বাণিজ্যিকভাবে ফোরজি মোবাইলের সাথে যুক্ত আছে। এর মধ্যে Mobile Wimax ২০০৬ সনে দক্ষিণ কোরিয়ায় সর্বপ্রথম এবং Long Term Evolution (LTE) স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চলে ২০০৯ সাল থেকে অপারেশন শুরু করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে Sprint Nextel ২০০৮ সালে Mobile Wimax চালু করে এবং Metro PCS ২০১০ সালে LTE সার্ভিস শুরু করে। শুরু থেকেই ফোর-জি প্রযুক্তির USB Wireless Modem প্রচলিত ছিল তবে ২০১০ সালে সর্বপ্রথম ওয়াইম্যাক্স স্মার্টফোন এবং ২০১১ সালে LTE স্মার্টফোন বাজারে আসে। এখন পর্যন্ত ফোরজি মোবাইল গুগলের অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের উপর নির্ভরশীল।

ফোর জি মোবাইল ব্যবহারের সুবিধা:
ফোর জি মোবাইলে রয়েছে সর্বোচ্চ গতির ডাটা ট্রান্সফারের সুবিধা।
এই প্রযুক্তিতে গ্রাহক সর্বদাই মোবাইল অনলাইন ব্রডব্যান্ডের আওতায় থাকতে সমর্থ হবেন।
এতে হাই ডেফিনেশন টেলিভিশন এবং ভিডিও কনফারেন্সের সুবিধা পাওয়া যাবে।
এই প্রযুক্তিতে গ্রাহকের কথোপকথন ও ডাটা ট্রান্সফারের নিরাপত্তা অনেক বেশী শক্তিশালী হবে।
ফোর-জি মোবাইল গ্রাহককে ভয়েস মেসেজ, ফ্যাক্স, মাল্টিমিডিয়া মেসেজ, অডিও ভিডিও রেকর্ডিং ইত্যাদির সুবিধাও প্রদান করবে।

দক্ষিণ এশিয়ায় ফোর জি প্রযুক্তি:
দক্ষিণ এশিয়ায় শ্রীলংকা সর্বপ্রথম ফোর জি প্রযুক্তি ব্যবহারে তাদের সফলতার ঘোষণা দেয়। শ্রীলংকার Telecom Mobitel এবং Dialog Axiata যথাক্রমে ৬মে ও ৭মে ২০১১ ইং তারিখে এই ঘোষণা প্রদান করে। এছাড়া ভারত আশা করছে ২০১২ এর ৩১ ডিসেম্বরের মাঝে তারা ফোর জি প্রযুক্তিতে প্রবেশ করতে সমর্থ হবে।

বাংলাদেশে:
প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশ এখনও টু-জি যুগেই রয়েছে। সরকারী সিদ্ধান্তহীতার কারনে আমাদের দেশে এখনও থ্রি জি প্রযুক্তিই চালু করা সম্ভব হয় নি। সেক্ষেত্রে অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশে ফোর জি মোবাইল চালু করা প্রায় দূরূহ একটি ব্যাপার হয়ে দাড়াবে।

Sunday, June 10, 2012

Zainul Abedin


Zainul Abedin (1914-1976) an artist of exceptional talent and international repute. He played a pioneering role in the modern art movement in Bangladesh that began, by all accounts, with the setting up of the Government Institute of Arts and Crafts (now Institute of Fine Arts) in 1948 in Dhaka of which he was the founding principal.
He was well known for his leadership qualities in organising artists and art activities in a place that had practically no recent history of institutional or professional art. It was through the efforts of Zainul Abedin and a few of his colleagues that a tradition ofmodern art took shape in Bangladesh just within a decade. For his artistic and visionary qualities the title ofShilpacharya has been bestowed on him.
Zainul Abedin at work
Courtesy: Amanul Huq
Born in Mymensingh in 1914, Zainul grew up amidst a placid surrounding dominated by the river Brahmaputra. The river and the open nature inspired him from his early life. He got himself admitted in Calcutta Government Art School in 1933 and learnt for five years the British/European academic style that the school diligently followed. In 1938, he joined the faculty of the Art School, and continued to paint in his laid-back, romantic style. A series of watercolours that Zainul did as his tribute to the river Brahmaputra earned him the Governor's Gold Medal in an all-India exhibition in 1938. It was a recognition that brought him into the limelight, and gave him the confidence to forge a style of his own.
Zainul's dissatisfaction with the Orientalist style that seemed to him heavily mannered and static, and the limitations of European academic style led him towards realism. His fascination with line remained however, and he made versatile use of it in his interpretation of the everyday life of the people.
Famine 1943, sketch by Zainul Abedin
In 1943, he drew a series of sketches on the man-made famine that had spread throughout Bengal, killing hundreds of thousands of people. Done in Chinese ink and brush on cheap packing paper, the series, known as Famine Sketches were haunting images of cruelty and depravity of the merchants of death, and the utter helplessness of the victims.
The sketches brought Zainul all-India fame, but more than that they helped him find his rhythm in a realistic mode that foregrounded human suffering, struggle and protest. The Rebel Crow (watercolour, 1951) marks a high point of that style. This particular brand of realism that combined social inquiry and protest with higher aesthetics was to prove useful to him in different moments of history such as 1969 and 1971 when Zainul executed a few of his masterpieces.
In 1947, after the partition of the subcontinent, Zainul came to settle in Dhaka, the capital of the eastern province of Pakistan. Dhaka had no art institute or any artistic activity worth mentioning. Zainul Abedin, with the help of his colleagues, many of whom had also migrated to Dhaka from Calcutta, founded the art Institute. In 1951, he went to Slade School of Art in London for a two-year training. Zainul's works after his return from London showed the beginning of a new style a 'Bengali' style, so to say where folk forms with their geometric, sometimes semi-abstract representations, the use of primary colours and a lack of perspective were prominent features. Two Women (gouache 1953), Painna's Mother (gouache 1953) and Woman(watercolour 1953) are some of the notable works of this period.
Sangram (struggle), oil paint by Zainul Abedin, 1976
Zainul Abedin's works throughout the fifties and sixties reflected his preference for realism, his aesthetic discipline, his predilection for folk forms and primary colours. Increasingly, however, he came to realise the limitations of folk art its lack of dimensionality, its flat surface, an absence of the intricate relationship between light and shade, and their lack of dynamism. As a way of transcending these limitations, Zainul went back to nature, to rural life, and the daily struggles of man, and to a combination of styles that would be realistic in essence, but modernist in appearance. Zainul's idea of modernism was not confined to merely abstracted, non-representational styles, but to a deeper understanding of the term 'modernity' itself in which social progress and individual dynamism are two leading components.
Thus the powerful figure of men and women struggling against man-made and natural calamities are a reminder of that essential idea of modernism: realising the limits of the individual. Zainul's works centralise men and women who labour and struggle against odds, and realise their potentials.
River, water color by Zainul Abedin, 1963
The 65 feet scroll painting (in Chinese ink, watercolour and wax) Nabanna that he drew in celebration of the 1969 mass movement or the 30 feet scroll paintingManpura done to commemorate the hundreds of thousands who died in the devastating cyclone of 1970 show his dynamic style at work. Zainul, of course, painted nature and the human scene (including the private moments of village women), but his predilections for speed, movement and an interactive space are evident in the paintings of late sixties and seventies.
In 1975, Zainul Abedin set up a folk museum at sonargaon, and a gallery in Mymensingh (Shilpacharya Zainul Abedin Museum) to house some of his works. He became actively involved in a movement to preserve the heritage of Bengal, and reorient Bengal art to the roots of Bengali culture, as he felt the futility of unimaginative copying of western techniques and styles that modern art somehow inspired in a section of the local artists. His health began to deteriorate however, as he developed lung cancer. He died on 28 May 1976 in Dhaka

জমি মাপার ডিজিটাল যন্ত্র তৈরি করেছেন রুয়েটের ছাত্র


জমি মাপার ডিজিটাল যন্ত্র তৈরি করেছেন রুয়েটের ছাত্র


 রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) শিক্ষার্থী মো: আল-হেলাল জমি পরিমাপের কাজে ব্যবহারের জন্য ডিজিটাল পরিমাপক যন্ত্র তৈরি করেছেন। মো: আল-হেলাল বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র। 

ডিজিটাল জমি পরিমাপক যন্ত্র সম্পর্কে তিনি জানান, ‘জমি বা যেকোনো কিছু মাপতে সাধারণভাবে আমরা ফিতা বা স্কেল ব্যবহার করি। এতে সময়ের যেমন অপচয় হয় তেমনই প্রায়ই নির্ভুল পরিমাপও সম্ভব হয় না। 

কিন্তু ডিজিটাল পরিমাপক যন্ত্রের সাহায্যে যেসব জায়গায় ফিতা বা চেন নিয়ে মাপা সম্ভব নয় যেমন নদীর ভেতরে, কোনো সেতুর উচ্চতা বা কোনো উঁচু ভবনের কোনো অংশের দৈর্ঘ্য ইত্যাদি এ যন্ত্রের সাহায্যে দূর থেকেই মাত্র কয়েকটি বোতামে চাপ দিয়ে নির্ভুলভাবে তা নির্ণয় করা যাবে। এ জন্য নিজের অবস্থান পরিবর্তন করে বস্তুর কাছে যাওয়ারও দরকার নেই। আর এ যন্ত্রের সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে দূরত্বটি প্রদর্শিত হবে ডিজিটাল মনিটরে। তাই অত্যন্ত সূক্ষ্ম এমনকি দশমিক-এর পরে প্রায় চার-পাঁচ ঘর পর্যন্ত মান নেওয়া যাবে, যা ফিতা দিয়ে মেপে বের করা প্রায় অসম্ভব।’ 

তিনি আরও বলেন, দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এ যন্ত্রে ব্যবহার করা হয়েছে মাইক্রোপ্রসেসর। আর সি প্রোগামিং ভাষায় লেখা হয়েছে এর প্রোগ্রাম। মাত্র দুই-তিন হাজার টাকার মধ্যেই এ যন্ত্র তৈরি করা সম্ভব।

হেলালের বন্ধু তড়িৎ ও ইলেকট্রনিকস প্রকৌশল (ইইই) বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী খন্দকার মারছুস জানান, পুরকৌশল বিভাগের ছাত্র হওয়া সত্ত্বেও তাঁর এই প্রকল্পের জন্য কম্পিউটার ও ইলেকট্রনিক সার্কিটের ওপর দক্ষতা অর্জন করতে হয়েছে। এ জন্য তাঁর লেগে গেছে কয়েকটি বছর। তার পরও তিনি হাল ছাড়েননি। শিক্ষক ও বন্ধুদের উৎসাহে তিনি শেষ পর্যন্ত সফলতার মুখ দেখেন। 

আল-হেলালের শিক্ষক কামরুজ্জা-মান জানান, ‘ডিজিটাল যুগে পরিমাপে ফিতা বা স্কেল থেকে বেরিয়ে আসার জন্যই হেলালের এ প্রচেষ্টা, যা তিনি বাস্তবে রূপ দিতে সক্ষম হয়েছেন।’ শিক্ষকদের উদ্যোগে তাঁর এ প্রকল্পটিকে নিয়ে সম্প্রতি ক্যাম্পাসে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। প্রদর্শনীতে রুয়েটের উপাচার্য সিরাজুল করিম চৌধুরীসহ পুরোকৌশল বিভাগের শিক্ষকেরা উপস্থিত থেকে সন্তোষ প্রকাশ করেন। 

পুরকৌশল বিভাগের শিক্ষক ইকবাল মতিন এ যন্ত্র সম্পর্কে বলেন, ‘এটি আসলেই একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। সরকারি-বেসরকারিভাবে পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এ যন্ত্র দেশের বাইরেও রপ্তানি করা সম্ভব হবে—যা দেশের জরিপের ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করবে।

Thursday, June 7, 2012

টেলিযোগাযোগ বলতে মূলত: বোঝায় যোগাযোগের উদ্দেশ্যে দূরবর্তী কোনো স্থানে তারের মাধ্যমে সংকেত তথা বার্তা পাঠানোকে। শুরুতে টেলিফোনই ছিল একমাত্র টেলিযোগাযোগ যন্ত্র। পরবর্তীতে তারহীন বার্তা প্রেরণ বা বেতার টেলিযোগাযোগ আবিষ্কার হয়েছে রেডিও যার প্রকৃষ্ট উদাহরণ। বর্তমানে ইলেক্ট্রনিক ট্রান্সমিটারের ব্যবহার করে তড়িৎ চুম্বক তরঙ্গের সাহায্যে সংকেত পাঠান হলেও আগেকার যুগে ধোঁয়ার সংকেত, ঢোল অথবা পতাকার মাধ্যমে সংকেত পাঠান হতো। বর্তমানে টেলিযোগাযোগ বিশ্বাব্যাপী বিস্তৃত এবং এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত যন্ত্র যেমন টেলিফোন, রেডিও, টেলিভিশন এবং ওয়াকিটকি সর্বত্র দেখতে পাওয়া যায়। এ সকল যন্ত্রকে পরস্পরের সাথে সংযুক্ত করার জন্য বিভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক রয়েছে। যেমনঃ পাবলিক টেলিফোন নেটওয়ার্ক, রেডিও নেটওয়ার্ক, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এবং টেলিভিশন নেটওয়ার্ক। ইন্টারনেট এর মাধ্যমে একটি কম্পিউটারের সাথে আরেকটি কম্পিউটটারের সংযোগ স্থাপনও একপ্রকার টেলিযোগাযোগ।


টেলিযোগাযোগে ব্যবহৃত প্রযুক্তি


টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার মূল অংশগুলো হলো তিনটি:


  • ট্রান্সমিটার বা প্রচারযন্ত্রঃ এটি বার্তাকে প্রচার উপযোগী সংকেতে পরিণত করে।
  • ট্রান্সমিশন মিডিয়াম বা প্রচার মাধ্যমঃ যার মধ্য দিয়ে সংকেত বা সিগনাল পাঠানো হয়। যেমনঃ বায়ু।
  • রিসিভার বা গ্রাহকযন্ত্রঃ এটি সংকেত গ্রহণ করে এবং সংকেতকে ব্যাবহারযোগ্য বার্তায় পরিবর্তন করে।

উদাহারণস্বরূপ বেতার সম্প্রচারের কথা বলা যায়। এই ক্ষেত্রে, সম্প্রচার টাওয়ারটি হলো ট্রান্সমিটার, রেডিও হলো রিসিভার এবং প্রচার মাধ্যম হলো শূন্যস্থান। অনেক ক্ষেত্রেই টেলিযোগাযোগ ব্যাবস্থা উভমুখী যোগাযোগ রক্ষা করে এবং একই যন্ত্র ট্রান্সমিটার ও রিসিভার হিসেবে কাজ করে। এগুলোকে বলা হয় ট্রান্সিভার। যেমনঃ মোবাইল ফোন একটি ট্রান্সিভার। ফোনের মাধ্যমে টেলিযোগাযোগকে বলা হয় পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট যোগাযোগ, কারণ এ ক্ষেত্রে একটি মাত্র ট্রান্সমিটার ও রিসিভারের মধ্যে সংযোগ স্থাপিত হচ্ছে। বেতার সম্প্রচারের মাধ্যমে টেলিযোয়াযোগকে বলা হয় ব্রডকাস্ট(সম্প্রচার) যোগাযোগ, কারণ এ ক্ষেত্রে একটি শক্তিশালী ট্রান্সমিটার ও অসংখ্য রিসিভার এর মধ্যে সংযোগ ঘটছে।

সিগনাল এনালগ ও ডিজিটাল দু’ধরনের হতে পারে। এনালগ সিগনালের ক্ষেত্রে তথ্যের পরিবরতনের উপর ভিত্তি করে সংকেতের শক্তি ক্রমাগত পরিবর্তন করা হয়। ডিজিটাল সিগনালের বেলায় তথ্যকে কিছু নির্দিষ্ট মানের (যেমন, ০ এবং ১) সমন্বয়ে সংকেত এ পরিণত করা হয়।

পরস্পরের সাথে সংযুক্ত এক গুচ্ছ ট্রান্সমিটার, রিসিভার বা ট্রান্সিভারের সমন্বয়ে গঠিত হয় নেটওয়র্ক। ডিজিটাল নেটওয়র্ক এ এ বা একাধিক রাউটার থাকে যার কাজ হল একটি নির্দিষ্ট বাবহারকারীর কাছে তথ্য পাঠানো। এনালগ নেটওয়র্ক এ এক বা একাধিক সুইচ থাকে যা দুই বা অতোধিক বাবহারকারীর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। দুই ধরনের নেটওয়র্ক এর ক্ষেত্রেই বহু দূরে সিগনাল পাঠাতে রিপিটার প্রয়োজন হয় যাতে দুর্বল এনালগ সিগনালকে এম্পলিফাই করে শক্তিশালী এবং বিকৃত ডিজিটাল সিগনালকে পুনর্গঠন করা যায়। অনাকাঙ্খিত কোন শব্দ যাতে সিগনালকে বিকৃত করতে না পারে সেজন্য এ ব্যবস্থা নেয়া হয়।

চ্যানেল হলো এক ধরনের প্রচার মাধ্যম যার মধ্য দিয়ে একই সময়ে একাধিক তথ্য প্রবাহ পাঠানো যায়। যেমন, একটি বেতার কেন্দ্র ৯৬মেগাহার্টজ বেতার তরঙ্গে, আবার আরেকটি বেতার কেন্দ্র একই সময়ে ৯৪.৫মেগাহার্টজ বেতার তরঙ্গে অনুষ্ঠান সম্প্রচার করতে পারে। এ ক্ষেত্রে মাধ্যম কে তরঙ্গ কম্পাঙ্ক বা ফ্রিকোয়েন্সি অনুসারে বিভক্ত করা হয়েছে এবং এক একটি বেতার কেন্দ্রের অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্য এক একটি ফ্রিকোয়েন্সি নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে। আবার সম্প্রচারের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় দৈর্ঘ্য নির্ধারণ করেও একটি চ্যানেল নির্দিষ্ট করা যায়।


মডুলেশন


তথ্য বা ইনফরমেশন পাঠানোর উদ্দেশ্যে সিগনালের আকার পরিবর্তন করার পদ্ধতিকে বলা হয় মডুলেশন (উপযোজন)। মডুলেশন হলো টেলিযোগাযোগ ব্যাবস্থার প্রান। একটি সিগনালে উপস্থিত তথ্য আরেকটি সিগনালের উপর চাপিয়ে দেয়ার জন্য সর্বদাই মডুলেশন পদ্ধতি বাবহৃত হয়। মডুলেশন ব্যবহার করা হয় সিগনালের ফ্রিকোয়েন্সি বাড়ানোর জন্য। কারণ বায়ু মাধ্যমে নিম্ন কম্পাঙ্কর সিগনাল খুব বেশি দূরে পাঠানো সম্ভব নয়। তাই সিগনাল পাঠানোর পুর্বে একে উচ্চ কম্পাঙ্কের আরেকটি সিগনালের উপর স্থাপন করা হয়। এটি করা হয় মূল সিগনালে বা ইনফরমেশন সিগনালে অবস্থিত তথ্য অনুসারে উচ্চ কম্পাঙ্কের সিগনালের কম্পাঙ্ক, বিস্তার(amplitude) অথবা দশা (phase) পরিবর্তনের মাধ্যমে। সাধারণত মূল সিগনালের বিস্তারের পরিবরতনের মধ্যে তথ্য উপস্থিত থাকে। উচ্চ কম্পাঙ্কের সিগনালটিকে বলা হয় বাহক সিগনাল বা ক্যারিয়ার সিগনাল। মিশ্র সিগনালটিকে বলে মডুলেটেড সিগনাল।

মডুলেশন এনালগ ও ডিজিটাল দুই প্রকার হতে পারে। ইনফরমেশন সিগনাল অনুসারে বাহক সিগনালের কোন বৈশিষ্ট্যটি পরিবর্তিত হচ্ছে তার উপর নির্ভর করে এনালগ মডুলেশন ৩ প্রকার হতে পারে।

১।  বিস্তার উপযোজন পদ্ধতি(amplitude modulation ): এ পদ্ধতিতে মূল সিগনালের বিস্তারের পরিবরতনের সাথে সাথে যদি বাহক সিগনালের বিস্তার পরিবরতিত হয়।

২।  কম্পাঙ্ক উপযোজন পদ্ধতি(frequency modulation): এ পদ্ধতিতে মূল সিগনালের বিস্তার পরিবর্তনের সাথে সাথে বাহক সিগনালের কম্পাঙ্ক পরিবর্তিত হয়ে যায়।

৩। দশা উপযোজন পদ্ধতি(phase modulation):এ পদ্ধতিতে মূল সিগনালের বিস্তারের সাথে সাথে বাহক সিগনালের দশা পরিবর্তিত হয়। এটিও এক প্রকার কম্পাঙ্ক উপযোজন পদ্ধতি।

উপরোল্লিখিত তিনটি মডূলেশন প্রক্রিয়াই এনালগ সিগনালের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যদি একটি মূল এনালগ সিগনাল থেকে নির্দিষ্ট সময় পর পর নমুনা সংগ্রহ করা হয় এবং সেই নমুনায় সিগনালের বিস্তারের মান্তিকে ডিজিটাল সংখ্যায় রুপান্তর করা হয় তবে তাকে ডিজিটাল সিগনাল বলা হয়।

ডিজিটাল তথ্যকে এনালগ তরঙ্গ আকারে উপস্থাপন করতে মডুলেশন করা হয়। একে বলা হয় “কীয়িং”। বিভিন্ন ধরনের কীয়িং প্রযুক্তি বাবহৃত হয়, যেমন- ফেজ শিফ্‌ট কীয়িং, এম্পলিচ্যুড শিফ্‌ট কীয়িং, মিনিমাম শিফ্‌ট কীয়িং। ব্লুটুথ প্রযুক্তিতে দু’টি যন্ত্রের মধ্যে সংযোগ স্থাপনে ফেজ শিফ্‌ট কীয়িং প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।

মডুলেশনের উদাহারণঃ মানুষের কণ্ঠস্বরের উপর উপযোজন করা হয়কম্পাঙ্ক সাধারণত ৩০০-৩৪০০ Hz এর মাঝে। এই কম্পাঙ্কের শব্দ খুব বেশি দূরে থেকে শুনতে পাওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু যদি মানুষের এই কম্পাঙ্কের কথা একটি ৯৬ মেগাহার্টজ কম্পাঙ্কের বাহক সিগনালের তবে তা দূরে প্রেরণ করা সম্ভব হয়। এভাবেই বেতার সম্প্রচার করা হয়ে থাকে।

ইতিহাস

প্রাচীন যুগের যোগাযোগ ব্যবস্থা

প্রাচীন যুগে মানুষ দুরে অবস্থানকারী কোন মানুষের সাথে ধোঁয়ার সংকেত দিয়ে বা ঢোল বাজিয়ে যোগাযোগ করত। আফ্রিকানিউ গিনি এবং দক্ষিণ আমেরিকার স্থানীয় উপজাতিরা ঢোল বাজিয়ে পরস্পরের সাথে যোগাযোগ করত। চায়না ও উত্তর আমেরিকার অধিবাসীরা ধোঁয়ার সংকেত দিয়ে দুরে খবর পাঠাও। ঢোলের শব্দ বা ধোঁয়া কোন একটি গোত্রের উপস্থিতি ঘোষণা করা ছাড়াও বিভিন্ন সংকেতের মাধ্যমে অন্যান্য তথ্যও বহন করত।
১৭৯২ সালে ক্লদ শাপে(Claude Chappe) নামে একজন ফরাসি প্রকৌশলী প্রথম দৃশ্যমান টেলিগ্রাফ যন্ত্র তৈরি করেন যা লিল ও প্যারিস এর মাঝে সংযোগ স্থাপন করে। এ ক্ষেত্রে সেমাফোর পদ্ধতি ব্যবহৃত হত। সেমাফোর পদ্ধতিতে দুটি পতাকার বিভিন্ন অবস্থানের মাধ্যমে বিভিন্ন বর্ণ নির্দেশ করে সংকেত পাঠানো হয়। লিল থেকে প্যারিস পর্যন্ত স্থাপিত প্রথম সংযোগটি পরে স্ট্রাসবুর্গ পর্যন্ত বর্ধিত হয়। ১৭৯৪ সালে সুইডিশ প্রকৌশলী আব্রাহাম এডেলক্রান্টজ সামান্য ভিন্ন একটি প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্টকহোম থেকে ড্রটিংহোম পর্যন্ত সংযোগ স্থাপন করেন। শাপে এর যন্ত্রে কপিকলের মাধ্যমে কাঠের তক্তা ঘওরার ব্যাবস্থা ছিল। অপরদিকে ক্রান্টজ এর যন্ত্রে কেবলমাত্র হালকা শাটার ব্যবহৃত হওয়ায় এর গতি ছিল বেশি। কিন্তু সেমাফোর পদ্ধতি ব্যবহার করে যোগাযোগ করা অভিজ্ঞ ব্যক্তি ছাড়া অসম্ভব ছিল। এছাড়াও অল্প দূরত্ব(১০-৩০ কি.মি.) পরপর টাওয়ার নির্মানের বিশাল খরচের কারণে ১৮৮০ সালের পর থেকে বাণিজ্যিকভাবে এ যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পুর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।
টেলিগ্রাফ ও টেলিফোন
স্যার চার্লস হুইটস্টোন এবং স্যার উইলিয়াম ফদারগিল কুক সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে বৈদ্যুতিক টেলিগ্রাফ যন্ত্র তৈরি করেন। এতে একটি নির্দেশক কাঁটার বিক্ষেপের মাধমে বার্তা পাঠানো হতো। ১৮৩৯ সালের ৯ই এপ্রিল তারিখে গ্রেট ওয়েস্টার্ন রেলওয়ের ২১ কি.মি. দূরত্বে যোগাযোগ স্থাপন করতে এর ব্যবহার শুরু হয়। একই সময়ে আটলান্টিকের অপর পারে স্যামুয়েল মোর্স আলাদাভাবে একটি বৈদ্যুতিক টেলিগ্রাফ যন্ত্র তৈরি করেন এবং ১৮৩৭ সালের ২রা সেপ্টেম্বর জনসমক্ষে উপস্থাপন করেন। কিন্তু যন্ত্রটি সফলভাবে কাজ করতে ব্যর্থ হয়। এরপর তিনি আলফ্রেড় ভেইল নামে একজন বিজ্ঞানীর সঙ্গে সম্মিলিতভাবে আরেকটি যন্ত্র আবিষ্কার করেন যেটি টেলিগ্রাফ বার্তাকে কাগজের ফিতায় সংরক্ষণ করতে পারে। ১৮৩৮ সালের ৬ই জানুয়ারী তাদের এই যন্ত্রটি প্রথমে ৫ কিলোমিটার ও পরে ২৪মে,১৮৪৪ তারিখে ওয়াশিংটন ও বাল্টিমোরের মাঝে ৬৪ কি.মি. দূরত্বে সফলভাবে কাজ করে। তারা তাদের এই যন্ত্রটি পেটেন্ট করেন। ১৮৫১ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ২০,০০০ মাইল দীর্ঘ টেলিগ্রাফ লাইন স্থাপিত হয়। ১৮৬৬ সালে প্রথম সফলভাবে অতলান্তিকের দু'প্রান্তের মাঝে টেলিগ্রাফ সংযোগ স্থাপিত হয়। এর পুর্বে ১৮৫৭ ও ১৮৫৭ সালেও এ সনযোগ স্থাপন করা হয়েছিল, কিন্তু কয়েকদিন বা কয়েক সপ্তাহ পরেই তা অচল হয়ে পড়ে।

১৮৫৭ সালে আলেক্সান্ডার গ্রাহাম বেল টেলিফোন আবিষ্কার করেন। অবশ্য এর আগে ১৮৪৯ সামে অ্যান্টোনিও মেউচ্চি একটি যন্ত্র আবিষাক্র করেন যার মাধ্যমে লাইনের মধ্য দিয়ে বৈদ্যুতিকভাবে কন্ঠ প্রেরণ করা যেত। এই যন্ত্রটি শব্দবৈদ্যুতিক প্রভাবের উপর নির্ভর করত। কিন্তু এই যন্ত্রটি ব্যবহার করা অসম্ভব ছিল কারণ ব্যবহারকারীকে গ্রাহক যন্ত্রটি মুখে ঢুকিয়ে কথা শুনতে হত।

১৮৭৮ ও ১৮৭৯ সালে আটলান্টিকের উভয় পারে নিউ হ্যাভেন ও লন্ডোন শহরে বানিজ্যিক টেলিফোন ব্যবস্থা চালু হয়। এই ব্যবস্থা চালু করার জন্য আলেক্সান্ডার বেল উভয় দেশেই পেটেন্ট লাভ করেন। এরপর অতি দ্রুত প্রযুক্তির প্রসারণ হয়। ১৮৮০ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান শহরগুলোতে এক্সচেঞ্জ এবং আন্তঃশহর টেলিফোন লাইন স্থাপিত হয়। সংযোগ স্থাপন করার জন্য সুইচিং প্রযুক্তিও উন্নত হয়। তা সত্বেও আটলান্টিকের দু'পারের মাঝে কন্ঠ আদান প্রদান করা সম্ভব ছিল না। ১৯২৭ সালের ৭ই জানুয়ারী প্রথম বেতার সংযোগের মাধ্যমে কন্ঠ যোগাযোগ স্থাপিত হয়। ১৯৫৬ সালের ২৫শে সেপ্টেম্বর ট্রান্স-আটলান্টিক-টেলিফোন লাইন স্থাপিত হওয়ার আগ পর্যন্ত দুই ভুখন্ডের মাঝে কোন তার সংযোগ ছিল না। এই টেলিফোন লাইন্টিতে ৩৬টি টেলিফোন সার্কিট ছিল।
বেতার ও টেলিভিশন
১৮৩২ সালে জেমস লিন্ডসে শ্রেনীকক্ষে তার ছাত্রদের সামনে তারবিহীন টেলিগ্রাফ সংযোগ উপস্থাপন করেন। ১৮৫৪ সালে তিনি পানিকে মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে ডান্ডি থেকে উঢ্যাভেন পরযন্ত দুই মাইল দূরত্বে তার বিহীন সংযোগ স্থপন করে দেখান। ১৮৯৩ সালে ফ্রাঙ্কলিন ইন্সটিটিউটে এক বক্তৃতায় নিকোলা টেসলা উদাহারণসহ তারবিহীন টেলিগ্রাফি প্রযুক্তির বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দেন। ভ্যাকুয়াম টিউব আবিষ্কারের পুর্বে বেতার ব্যবস্থায় যে সকল যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হত সে সব উপকরণ ব্যবহার করেই তিনি এ উদাহারণ উপস্থাপন করেন। ১৯০০ সালে রেগিনাল্ড ফেসেন্ডেন প্রথম তার ছাড়া মানুষের কন্ঠস্বর প্রেরণ করতে সক্ষম হন। ১৯০১ সালে গুগলিয়েলমো মার্কনি যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের মাঝে তার বিহীন সংযোগ স্থাপন করেন, যা তাকে ১৯০৯ সালে নোবেল পুরস্কার এনে দেয় (তিনি কার্ল ব্রাউন এর এর সাথে যুগ্মভাবে এ পুরস্কার পান) ।

১৯২৫ সালের ২৫শে মার্চ, লন্ডনের সেলফ্রিজ নামের একটি মনিহারী দোকানে জন লগি বেয়ার্ড চলন্ত ছবি প্রেরণ করে দেখান। অবশ্য তার যন্ত্রটি সম্পুর্ণ ছবি দেখাবার বদলে ধারণকৃত ছবির একটি অস্পষ্ট ছায়া প্রদর্শন করেছিল কিন্তু অবিলম্বে অক্টোবর মাসেই তিনি এ সমস্যার সমাধান করেন এবং ১৯২৬ সালের ২৬শে জানুয়ারী পুনরায় ঐ সেলফ্রিজ দোকানেই আবার টেলিভিশন উপস্থাপন করেন। বেয়ার্ডের তৈরি টেলিভিশন নিপকও চাকতি(nipkow disk) ব্যবহার করে ছবি গ্রহণ ও প্রদর্শন করা হতো, তাই একে বলা হয় যান্ত্রিক টেলিভিশন। এই যন্ত্রের উপর নির্ভর করেই ১৯২৯ সালের ৩০শে সেপ্টেম্বর ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং করপোরেশন বা বিবিসি এর পরীক্ষামুলক সম্প্রচার চালু হয়। বিংশ শতকের অধিকাংশ টেলিভিশনে ব্যবহৃত হয় কার্ল ব্রাউন এর আবিষ্কৃত ক্যাথোড রে টিউব প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফিলো ফার্ন্সওয়র্থ প্রথম একটি কার্যকরী মডেল তৈরি করে তার পরিবারের সদস্যদের দেখান ১৯২৭ সালের ৭ই সেপ্টেম্বর। একই সময়ে ভলাদিমির যোরিকিনও এই রযুতিতে ব্যবহার করে বৈদ্যুতিক টেইভিশন আবিষ্কার করেন। পরে আদালতে ফয়সালা করে ফার্ন্সওয়র্থকে এই আবিষ্কারের কৃতিত্ব দেয়া হয়।



Tuesday, June 5, 2012


...বাংলাদেশের সুন্দরবনে প্রাপ্ত শঙ্খচূড় পৃথিবীরদীর্ঘতম বিষধর সাপ।
...কিংবদন্তি চরিত্র সান্টাক্লজের বর্তমান রূপটি জনপ্রিয়তা লাভ করেছে মূলত ঊনবিংশ শতাব্দীতে।
...তাহিতি এবং আফ্রিকার কিছু কিছু উপজাতীয় সমাজে চুম্বন প্রথাটি এখনো অজ্ঞাত।
...জনপ্রিয় আমরিকান খাবার হ্যামবার্গারের নামটির উৎপত্তি হয়েছেজার্মানির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর হামবুর্গ থেকে।
...সুইডিশ অর্থনীতিবিদ গুস্তাফ কাসেল ১৯১৮ সালে মুদ্রার ক্রয়ক্ষমতানির্ণয়ের পদ্ধতিটি আবিস্কার করেন।
...প্রতি বছর ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন পালিত এই দিনটিই যিশুর প্রকৃত জন্মদিন কিনা তা সঠিক জানা যায় না’।
...সুব্রত মুখার্জী, ভারতীয় বিমান বাহিনীর প্রথম চিফ অব দ্য এয়ার স্টাফ, জাপানের একটি রেস্তোরায় খাবারের টুকরা গলায় আটকে যাওয়ার কারণে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মৃত্যু বরণ করেন।
...৫২৫ পুত্র ও ৩৪২ কন্যা সন্তানের পিতা মরক্কোর সাবেক সুলতানইসমাইল ইবনে শরীফ এখন পর্যন্ত বিশ্বের সর্বাধিক সংখ্যক সন্তানের পিতা।
...বর্তমানে বাংলাদেশের কিশোরী-তরুণীদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় ক্যাপ্রি প্যান্ট, ছেলেদের ক্ষেত্রে যাকে ম্যানপ্রি ডাকা হয়।
...একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি, ১৪ বছর বয়সে তাঁর অভিনয়ের পাঠ ছেড়ে দিয়ে একজন অন্তেষ্টিক্রিয়া পরিচালক হবার স্বপ্ন দেখতেন।
...২০০৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলাদেশি চলচ্চিত্র বৃত্তের বাইরে ৮২তম একাডেমি পুরস্কারের বিদেশি ভাষা বিভাগে প্রদর্শনের জন্য মনোনীত হয়েছে।
...২০০৯ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত জার্মান ঔপন্যাসিক হ্যারতা ম্যুলার, গুন্টার গ্রাসের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পাওয়া দ্বিতীয় জার্মান নাগরিক।
...ইথিওপিয়ার আফার অঞ্চলে আর্ডিপিথেকাস গোত্রের র্যামিডাস ও কাব্বাডা নামে দুটি জীবাশ্ম পাওয়া গেছে, যাদের বয়স যথাক্রমে ৪৪ ও ৫৬ লক্ষ বছর।
... একাডেমি পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান অভিনেত্রী এলিজাবেথ টেইলর সাতজনকে মোট আট বার বিয়ে করেছিলেন, এবং বর্তমানেও তিনি কারো সাথে বিবাহিত নন।
...কলম্বিয়ান কণ্ঠশিল্পী শাকিরা মাত্র চার বছর বয়সে তাঁর জীবনের প্রথম কবিতাটি লেখেন, যার নাম ছিলো লা রোসা দে ক্রিস্টাল।
...বাংলাদেশী খ্যাতনামা সাহিত্যিক ও জাতীয় অধ্যাপক সৈয়দ আলী আহসান ১৯৭৬ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত নোবেল কমিটির সাহিত্য শাখার উপদেষ্টা ছিলেন।

...কুতুব মিনার ২০০৬ সালে ভারতের সবচেয়ে পরিদর্শিত সৌধ যার পর্যটকের সংখ্যা ছিলো প্রায় ৩৮.৯৫ লক্ষ, যেখানে তাজমহলেরপরিদর্শিত পর্যটকের সংখ্যা প্রায় ২৫.৪ লক্ষ।
...স্কুইডের শুড় প্রকৃতপক্ষে বিবর্তিত পদ, যা পূর্বপুরুষের বিবর্তনের ধারায় জটিল গঠন বিশিষ্ট শুড়ে পরিণত হয়েছে।
...দশ বছর বয়সে, একটি মেয়ের শরীরে একই বয়সের একটি ছেলের তুলনায় গড় চর্বির পরিমাণ থাকে মাত্র ৫% বেশি, কিন্তু বয়ঃসন্ধিরশেষে এসে এই পার্থক্য হয় ৫০%-এর কাছাকাছি।
... ফরাসি সরকার ১৯২৮ সালে পরিবর্তনশীল নক্ষত্রের ওপর তার কাজের জন্য যশোর জেলার একজন কেরানী রাধাগোবিন্দ চন্দ্রকে OARF (Officer d'Academic Republic Francaise) পদক প্রদান করে।
... আরতি সাহা প্রথম এশীয় মহিলা সাঁতারু যিনি সাঁতরে ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করেন।
... ১৯২০ সালে উপেন্দ্রনাথ ব্রহ্মচারী তৈরি করেন কালাজ্বরের ওষুধ ইউরিয়া স্টিবামাইন এবং ১৯২৯ সালে উপেন্দ্রনাথ ব্রহ্মচারীকে নোবেল পুরস্কারের জন্য বিবেচনা করা হয়েছিল।
... মাচু পিচু ইনকা সভ্যতার এক দুর্গ নগরী, যা সমুদ্রপৃষ্ট থেকে ২৪০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত।
... কিছু ঝুমঝুমি সাপ আছে যেগুলো ডিম পাড়ার বদলে সরাসরি বাচ্চা সাপের জন্ম দেয়।
... সামান্য কিছু ব্যাক্টেরিয়া এবং ছত্রাক ছাড়া মৃত সাগরে কোন মাছ বা উদ্ভিদ বাঁচতে পারে না।
...বাংলাদেশ টেলিভিশনের সময়ের কথা আলোচনা অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে বাংলাদেশের প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রদূত রসিকতার ছলে বাংলাদেশীদের "ষড়যন্ত্রপ্রবণ" আখ্যা দিয়ে গণমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
...লুৎফর রহমান তাঁর নিজ বাসভবনে গড়ে তুলেছিলেন নারীতীর্থ নামে একটি সেবা প্রতিষ্ঠান যার সভানেত্রী ছিলেন বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন এবং সম্পাদক ছিলেন তিনি নিজেই।
...পুঁথিঘর ও মুক্তধারা-র প্রতিষ্ঠাতা চিত্তরঞ্জন সাহা ১৯৭২ সালের ৮ই ফেব্রুয়ারি ঢাকার বাংলা একাডেমীর বইমেলার সূচনা করেন।
...স্যার আইজাক নিউটনের সময় অনেকে বিশ্বাস করত যে প্রিজম নতুন রঙের আলো সৃষ্টি করে।

...ফার্সি ভাষায় একটি বহুল প্রচলিত প্রবাদে এসফাহন শহরকে পৃথিবীর অর্ধাংশ উপমা দেয়া হয়।
... অষ্টাদশ শতকে বাংলায় ফকির সন্ন্যাসী বিদ্রোহ চলাকালে ভারতীয় তপস্বীদের সাথে ব্রিটিশ ইস্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানির প্রচুর পরিমাণে সংঘর্ষ ঘটে।
...১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পাকিস্তানের সামরিক সরকার দেশদ্রোহিতার অভিযোগে বাংলাদেশের জাতীয় অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাককে তার অনুপস্থিতিতে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত করে।
...গুরুদুয়ারা নানকশাহী, ঢাকা বাংলাদেশের আরও ৯ থেকে ১০টি গুরুদুয়ারার মধ্যে বৃহত্তম এবং গুরুদুয়ারাটি সকল ধর্মের মানুষের প্রবেশের জন্য উন্মুক্ত।
...১৯৬২ সালের চীন-ভারত যুদ্ধের পর তিব্বতের যুবকদের নিয়ে গঠিত স্পেশাল ফ্রণ্টিয়ার ফোর্স বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে।
...নৌকায় ভিড় করে চরে আর নিজ দেশের পতাকা উড়িয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মানুষ ইছামতি নদীতে দুর্গাপূজার সময় প্রতিমা বিসর্জন দেন।
...পারিবারিক পেশা কবিরাজী হওয়া সত্ত্বেও কবিয়াল রমেশ শীল ১৮৯৯ সালে কবিগান পরিবেশনায় প্রতিদ্বন্দী তিনজন কবিয়ালকে পরাজিত করে মোট তের টাকা সম্মানী লাভ করেন, যা পেশা হিসাবে পরবর্তীকালে কবিগানকে বেছে নিতে তাকে অনুপ্রানিত করে।
...ঢাকার আর্মেনী সম্প্রদায় বাংলাদেশের শিক্ষায় বিশেষ অবদান রেখেছিল এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপত্য শাহবাগ ও বঙ্গভবনের বাগানের মালিক ছিল।
...১৯১৫ সালে ঢাকার নবাব খাজা সলিমুল্লাহ্র মৃত্যুর পর টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীর নবাব সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়প্রতিষ্ঠায় প্রধান ভূমিকা পালন করেন।
...বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের অন্তর্গত ক্ষুদ্র নদী করতোয়া একসময় একটি বড় নদী ছিল ও পবিত্র হিসেবে গণ্য হত।
...মঙ্গলকাব্য বাংলার মধ্যযুগীয় সামাজিক আচার প্রতিফলিত করে।
...বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনী ড. সাজ্জাদ হোসায়েনকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ দেয়। দেশ স্বাধীন হবার পর তিনি গ্রেফতার হন এবং তাকে নির্বাসনে পাঠানো হয়।
...ডাচ অস্ট্রেলিয়ান কমাণ্ডো অফিসার উইলিয়াম ঔডারল্যাণ্ড মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশের চতুর্থ সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব বীর প্রতীক জেতা একমাত্র বিদেশী।
...থাই সরকার ১৯৭০ সালে নেশা সৃষ্টিকারী ইয়াবা ট্যাবলেটকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
...তারেক মাসুদ পরিচালিত বাংলাদেশী চলচ্চিত্র মাটির ময়না দেশের প্রথম চলচ্চিত্র হিসেবে শ্রেষ্ঠ বিদেশি চলচ্চিত্র হিসেবে একাডেমি এ্যাওয়ার্ডে মনোনয়ন পাবার আগে সেন্সর বোর্ড কর্তৃত সাময়িক ভাবে নিষিদ্ধ ছিল।
...জেরুজালেম মুসলমানদের দখলে আসার পরে জেরুজালেমে আগত বিপুল সংখ্যক ইউরোপীয় তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয় এবং ১০৯৬খ্রিস্টাব্দে প্রথম ক্রুসেডের পরে নাইট টেম্পলার সৈনিক বাহিনী তৈরি করা হয় এসব তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তার নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যেই।
...বাংলার কমিউনিস্ট আন্দোলনের নেতা কমরেড মুজফ্ফর আহমদ জীবনের প্রারম্ভে, বঙ্গীয় মুসলিম সাহিত্য সমিতির সহকারী সম্পাদক ছিলেন।
...১৯৫০ সালের ফিফা বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতার মূলপর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন সত্ত্বেও কেবলমাত্র খেলার জুতা না থাকায় ভারত জাতীয় ফুটবল দল বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারেনি।
...ইয়ং বেঙ্গল নেতা রামগোপাল ঘোষকে হিন্দু ধর্মের বিরোধীতা করায় একঘরে করার ভয় দেখানো হয়।
...ভারত বিভাগের সময় বাঙালি রাজনীতিবিদ আবুল হাশিম পূর্ব বঙ্গ ও পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলা রাষ্ট্রগঠনের প্রস্তাব দেন।

...১৯৫৩ সালে কারাগারে বসে মুনীর চৌধুরী তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাটক কবর রচনা করেন এবং এই নাটকের প্রথম মঞ্চায়নে জেলখানার কয়েদীরাই অভিনয় করেন।
...১৯২৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণিত বিভাগে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অধিকারী ফজিলতুন্নেসা বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রথম মুসলিম ছাত্রী।
...এশিয়ার প্রথম নোবেল পুরষ্কার বিজয়ী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিভা বিকাশে তার বড় ভাই জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরের ব্যাপক ভুমিকা ছিল।
...মূলত অনাবিষ্কৃত বাংলাদেশের নোয়াপাড়া-ঈষাণচন্দ্রনগরের বৌদ্ধ প্রত্নত্বাত্বিক নিদর্শনকে কার্মান্ত ভাসাকারের হারিয়ে যাওয়া শহর বলে মনে করা হয়।
... ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের তথা পূর্ব বাংলার প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় এবং ৮৬ বছর পুরানো।

...কলকাতার বিখ্যাত ব্যান্ড চন্দ্রবিন্দুর নাম রাখা হয়েছে বিখ্যাত ননসেন্স ছড়াকার সুকুমার রায়ের হযবরল ছড়াগ্রন্থের একটি সংলাপ হতে।
...ইন্টারনেট ভিত্তিক সামাজিক নেটওয়ার্ক সেবা অর্কুট, যেটি শুরু হয়েছিল ২০০৪ সালের জানুয়ারি মাসে, ২০০৭ সালের আগস্ট মাস পর্যন্ত এর ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৭,০০০,০০০ জনেরও বেশি।
...বাংলাদেশের অতিক্ষুদ্র একটি শহর শোলাকিয়াতে প্রতি বছর ঈদ-উল-ফিতরের জন্য ৩০০,০০০ মুসলিম জড়ো হন।
...জোসে মরিনহো চেলসির ম্যানেজার থাকাকালে ক্লাবটি পরপর ৬৪ হোম খেলায় অপরাজিত থাকার নতুন ইংরেজ রেকর্ড গড়েছে।
...ভারতের মাইসোর রাজ্যের বিধান পরিষদের প্রথম সভা ১৯০৭ সালের জুলাই মাসে জগনমোহন প্যালেসে অনুষ্ঠিত হয়।
...আবদুল্লাহ আল রাকিব ২০০৭ সালের ২৫শে সেপ্টেম্বর চতুর্থ বাংলাদেশী হিসেবে ফিদে গ্র্যান্ডমাস্টার খেতাব অর্জন করেন।
...শূণ্য একটি জোড় সংখ্যা।
...তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে, বাংলাদেশের সংবাদপত্র প্রথম আলোর ক্রোড়পত্র আলপিনের একটি সংখ্যা নিষিদ্ধ করা হয়েছে ইসলামের নবী মোহাম্মদ (সাঃ)কে নিয়ে একটি কার্টুন প্রকাশনার জন্য।
...উনবিংশ শতাব্দীতে বাংলা ভাষায় বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী লেখার প্রাথমিক পর্যায়ে জগদানন্দ রায় শুক্র ভ্রমণ নামে একটি জনপ্রিয় বই লিখেছিলেন।
...সুব্রত মুখার্জী, ভারতীয় বিমান বাহিনীর প্রথম চিফ অব দ্য এয়ার স্টাফ, জাপানের একটি রেস্তোরায় খাবারের টুকরা গলায় আটকে যাওয়ার কারণে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মৃত্যু বরণ করেন।
...ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ছাত্রী ছিলেন বিপ্লবী লীলা নাগ, যিনি ১৯২৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজী বিষয়ে এমএ পাশ করেন।
... হরপ্পা রবি নদী তীরবর্তী বিস্তৃত এলাকার কারণে প্রত্নবিদদের কাছে বেশ পরিচিত ছিল, কিন্তু ১৯২২ সালে মহেঞ্জোদড়ো আবিস্কাররের পূর্বে সিন্ধু সভ্যতার এই গুরুত্বপূর্ণ শহরের প্রকৃত তাৎপর্য সবার কাছে অজ্ঞাত ছিল।
... যে আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো গানটিতে ১৯৬৯ সালে দ্বিতীয়বারের মত সুরারোপ করেন আলতাফ মাহমুদ, যা জহির রায়হানের জীবন থেকে নেয়াচলচ্চিত্রে ব্যবহৃত হয়েছিল।
...১৭৭০ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কম্পানির রাজত্বকালে বাংলার দুর্ভিক্ষটি ছিল বাংলার ইতিহাসে সব থেকে বড় দুর্ভিক্ষগুলির মধ্যে একটি এবং বাংলার এক তৃতীয়াংশ মানুষের মৃত্যু ঘটেছিল ১৭৭০ এবং তার পরবর্তী বছরগুলিতে।
...বিজ্ঞানীগণ আশংকা করছেন যে বাংলাদেশের উত্তরে অবস্থিত বাঙালি নদী, যমুনা নদীর সাথে মিশে যেতে পারে এবং এর ফলে ১০০,০০০ হেক্টর এলাকা হারিয়ে যেতে পারে।


...কিংবদন্তি চরিত্র সান্টাক্লজের বর্তমানরূপটি জনপ্রিয়তা লাভ করেছে মূলত ঊনবিংশ শতাব্দীতে
...তাহিতিএবং আফ্রিকার কিছুকিছু উপজাতীয় সমাজে চুম্বন প্রথাটিএখনো অজ্ঞাত
...জনপ্রিয় আমরিকান খাবার হ্যামবার্গারের নামটিরউৎপত্তি হয়েছেজার্মানির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর হামবুর্গ থেকে
...সুইডিশ অর্থনীতিবিদ গুস্তাফকাসেল ১৯১৮ সালে মুদ্রার ক্রয়ক্ষমতানির্ণয়ের পদ্ধতিটি আবিস্কার করেন
...প্রতিবছর ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন পালিতএই দিনটিই যিশুর প্রকৃতজন্মদিন কিনা তা সঠিক জানা যায় না’।
...সুব্রত মুখার্জীভারতীয় বিমানবাহিনীর প্রথম চিফ অব দ্য এয়ার স্টাফজাপানের একটিরেস্তোরায় খাবারের টুকরা গলায় আটকে যাওয়ার কারণে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মৃত্যু বরণ করেন
...৫২৫পুত্র ৩৪২ কন্যা সন্তানের পিতা মরক্কোর সাবেকসুলতানইসমাইল ইবনে শরীফ এখনপর্যন্ত বিশ্বের সর্বাধিক সংখ্যক সন্তানের পিতা

Friday, June 1, 2012

৩৩ তম বিসিএসঃ সঠিক উত্তর

৩৩ তম বিসিএসঃ সঠিক উত্তর


সেট-০১ (চামেলী)




 ইংরেজী

1. Noureen will discuss the issue with Nasir ___ phone. : Over
... 2. Some writters sink ___ oblivion in course of time. : into
3. Call to mind means: remember
4. Pass away means: die
5. word synonymous with authoritarian is: Autocratic
6. 'Permissive' implies: Liberal
7. Each of the sons followed ___ father's trade. : his
8. 'Subject - Verb Agreement' refers to -- Number and person
9. Error in the sentence: Recommendation
10. 'The French" refers to: The French people
11. If a person can't stop talking drugs, he is addicted to them
12. 'Officialese' means: Language used in offices
13. The verb 'Succumb' means: Submit
14. We look forward ___ a response from you. : To receiving
15. If a part of a speech or writing breaks the theme: Digression
16. 'Take into account' means: Consider
17. কতৃপক্ষ তাকে তিরষ্কার করলোঃ The authorities took him to task
18. "Such claim needs to be tested empirically"
: The test should be based on experience.
19. Idiom "put up with" means: Tolerate
20. Im many ways riding a bicycle is similar to driving a car.



বাংলা


১)চর্যাপদ-খ 
২) কবি শায়ের-ক 
৩)কবি গান-ক
৪) কেন পান্থ ক্ষান্ত---ক 
৫)ধনধান্যে-ক 
৬)অশুদ্ধ-- ঘ 
৭) গৃহী--ঘ 
৮) excise duty--খ 
৯) শুদ্ধ বাক্য---খ ১০)............
১১) অগ্নি--ঘ 
১২)নিশীথিনী--গ 
১৩) কোলন-- ; 
১৪) কল্লোল--ক 
১৫)সুকান্ত-ক 
১৬)ঢাকের কাঠি--ঘ 
১৭) বিষবৃক্ষ--ঘ 
১৮)পিপীলিকা 
১৯)গীতাঞ্জলি--গ 
২০)origin---খ




৩৩ তম বিসিএসঃ সঠিক উত্তর - গণিত

সেট ৩

21. খ, 22. ঘ, 23. ক, 24. গ, 25. ঘ

26. গ, 27. ক, 28. গ, 29. খ, 30. গ

31. খ, 32. ঘ, 33. ক, 34. ঘ, 35. ক

36. ক, 37. গ, 38. খ, 39. গ, 40. ক



সাধারন জ্ঞান




1. বাংলাদেশের সংবিধানে এখন পর্যন্ত কতটি সংশোধনী আনা হয়েছে? 15
2. পূর্বাশা দ্বীপের অপর নাম কি? উঃ দক্ষিণ তালপট্টি
3. মুজিবনগর কোন জেলায় অবস্থিত? উঃ মেহেরপুর
4. সেন্টমার্টিন কোন জেলায় অবস্থিত? উঃ কক্সবাজার
5. বাংলাদেশের সার্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন কারী বিষয়ঃ তৈরী পোষাক
6. শালবন বিহার কোথায় অবস্থিত? উঃ কুমিল্লার ময়নামতি
7. সাবাস বাংলাদেশ ভাষ্কর্য কোথায়? উঃ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
8. এশিয়া কাপ ক্রিকেট কোথায় অনুষ্ঠিত হয়? উঃ শেরে বাংলা স্টেডিয়াম
9. বাংলাদেশের জাতীয় দিবস কবে? উঃ ২৬ মার্চ
10. শ্রীলংকার মুদ্রার নাম কি? উঃ রূপী
11. সার্ক এর সদস্য দেশ কয়টি? উঃ ৮
12. বাংলাদেশের প্রথম প্রধান সেনাপতিঃ জেঃ আতাউল গনি ওসমানি
13. বাংলাদেশের রাজধানী কথায় !!! উঃ ঢাকা
14. পৃথিবীর বৃহত্তম বিমান বন্দর কোথায়? সঠিক উত্তর নাই (দাম্মাম)
15. পৃথিবীর গভীরতম স্থান কোন মহাসাগরে? উঃ প্রশান্ত
16. পৃথিবীর গভীরতম হ্রদ কোনটি? উঃ বৈকাল
17. ২০১৪ সালে ফুটবল বিশ্বকাপ হবে কোথায়? উঃ ব্রাজিল
18. শিল্পী জয়নুল আবেদীনের সংগ্রহশালা কোথায়? উঃ ময়মনসিংহে
19. বাংলাদেশের যে ছবি কলকাতা ফ্লিম ফেষ্টিভাল পুরষ্কার পায়ঃ গেরিলা
20. বাংলাদেশের আপিল বিভাগের মোট বিচারক কতজন? উঃ 11 জন



৩৩ তম বিসিএসঃ সঠিক উত্তর - বিজ্ঞান

1. কোনটি এন্টিবায়োটিক? উঃ পেনিসিলিন
2. জন্ডিসে আক্রান্ত হয়ঃ যকৃত
3. কোনটি বিদ্যুৎ পরিবাহী নয়? উঃ রাবার
4. কোনটি নবায়ন যোগ্য শক্তির উৎস? উঃ সূর্যে রশ্মি
5. ইন্টারনেট চালু হয়ঃ 1969 সালে
6. MKS পদ্ধতিতে ভরের এককঃ কেজি
7. কোনটিকে চুম্বকে পরিণত করা যায়? উঃ ইস্পাত
8. আলটিমিটার কি? উঃ উচ্চতা পরিমাপক যন্ত্র
9. কোনটি মৌলিক পদার্থ? উঃ লোহা
10. কোন ধাতু স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল? উঃ পারদ
11. স্টেইনলেস স্টিলের অন্যতম উপাদান কি? উঃ ক্রোমিয়াম
12. সর্বাপেক্ষা হালকা গ্যাসঃ হাইড্রোজেন
13. ভারী পানির রাসায়নিক সংকেতঃ D2O
14. লোহাকে গ্যালভানাইজিং করতে ব্যবহৃত হয়ঃ দস্তা
15. সংকত ধাতু পিতলের উপাদানঃ তামা ও দস্তা
16. কোনটি সিমেন্ট তৈরীর অন্যতম কাঁচামাল? উঃ জিপসাম
17. বিগব্যাং তত্বের প্রবক্তাঃ জি. ল্যামেটার
18. মহাজাগতিক রশ্মির আবিষ্কারকঃ হেস
19. ইউরি গ্যাগরিন মহাশূন্যে যানঃ 1961 সালে
20. গ্রিনিচ মান মন্দির অবস্থিতঃ যুক্তরাজ্যে